বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের নাক-কান-গলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৯ সালে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের পর ২০২১ সালে কনসালটেন্ট এবং ২০২৩ সালে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক পিজি হাসপাতাল থেকে কানের রোগ ও চিকিৎসা বিষয়ক এক বছরের অ্যাডভান্সড ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য ভারতেও গেছেন। শেখার প্রতি তাঁর আগ্রহ আজও অটুট। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে নাক-কান-গলা বিষয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
২০০৭ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। ২০১০ সালে বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পড়াশোনা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণেই তাঁর জীবনের দীর্ঘ বারোটি বছর কেটেছে। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি শুধু পড়াশোনা করেননি—শিখেছেন, পড়িয়েছেন, গবেষণা করেছেন এবং চিকিৎসাসেবায় নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলেছেন।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমিক সংস্কারেও তাঁর অবদান স্পষ্ট। তাঁর উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে Journal of Patuakhali Medical College (JPkMC), যেখানে তিনি প্রতিষ্ঠাতা চিফ এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তরুণ চিকিৎসকেরা গবেষণায় এগিয়ে এলে তিনি পাশে দাঁড়ান, দিকনির্দেশনা দেন এবং তাঁদের কাজকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে প্রকাশের উপযোগী করে তোলেন।
তিনি নিজেকে বলেন, “ছোট ডাক্তার”। রোগীর প্রয়োজন না হলে সহজে অপারেশনের পরামর্শ দেন না, অকারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করান না। চিকিৎসায় বেশি খরচের প্রয়োজন হলে আগে রোগীর সামর্থ্যের কথা ভাবেন এবং সরাসরি জিজ্ঞেস করেন—“আপনি পারবেন তো?”
তাঁর কাছে চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়; এটি দায়িত্ব, সততা এবং মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার।
